News

Exam tips: মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০১৮

Date: February 14th, 2018
Posted by: Admin
শুভ বিকেল
সে এক দিন ছিলো । কতো কষ্ট করে রাত জেগে বই পড়ে ;বাছা বাছা উদ্ধৃতি দিয়ে , গালভরা ভাষায় সাজানো নোট মুখস্থ করে পরীক্ষার খাতায় লিখে যতই আত্মতৃপ্তিতে ভরপুর থাকিনা কেন পরীক্ষার ফল বেরোলে দেখতাম সব আশায় কে যেন বালতি বালতি জল ঢেলে দিয়েছে । বাংলায় সেই টেনেটুনে বাষট্টি কি বাহান্ন । বড়োরা সান্ত্বনা দিতেন “ওরে ,বাংলায় কোনো ভালোই সবার ভালো হয়না । এর থেকেও ভালো লিখতে হবে।”সেই ‘আরো ভালো’ টি ছাত্রজীবনে অধরাই থেকে গেছে । 
খুব রাগ হতো তখন স্যার ম্যামদের ওপর । সেই রাগের প্রকোপে যে ছোটখাটো ভুল গুলো লেখার ফাঁকে ফাঁকে জড়িয়ে থাকতো সেগুলোর দিকে নজরই পড়তো না । 
আজ পরিস্থিতি পাল্টে গেছে । জীবন আমাদের দৃষ্টি উন্মুক্ত করে দিয়েছে । আমরা বাচ্চাদের সেই সিলি মিসটেকগুলো শনাক্ত করতে পারি । তা কখনো স্কুলের ক্লাসরুমে কখনো বা বাড়িতে নিজের সন্তানটিকে পড়াতে বসিয়ে । সেইমতো তাদের শুধরে দিতেও সু্যোগ পাই । আবার কখনো পরীক্ষার খাতা দেখতে গিয়ে এমন ভুল ত্রুটির সন্ধান পাই কিন্তু তখন আর তাকে শোধরানোর উপায় থাকে না । আফসোস করতে করতে ভাবি ‘ ইস্ ! যদি এই ছোট্ট ভুলটা যদি না করতো , যদি ও আরো একটু সচেতন হতো তাহলে আরো নম্বর বাড়তো কিছু ।
সামনেই মাধ্যমিক । আর প্রস্তুতির এই অন্তিম লগ্নে tfpg আয়োজন করেছে এক বিশেষ বিভাগ ….exam টিপস্ । প্রতিটি বিষয় আসবে এই বিভাগে । আলোচনা করবেন আপনারাই । আর আপনাদের মূল্যবান মতামতের ভিত্তিতে গড়ে উঠবে আমাদের স্নেহের শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসের মজবুত ইমারত । 
আজকের প্রথম পর্বে আমাদের বিষয় …#বাংলা 
আসুন দেখি #বাংলায়_ভালো_ফল_করতে_গেলে_কোন্_কোন_দিকে_নজর_বেশি_করে_দিতে_হবে

Shyamali Das বাংলা বিষয়ে ভালো নম্বর পেতে গেলে এই টপিক গুলো মাথায় রাখলে ভালো হয় …
# টেক্সট বুকগুলো একটু খুঁটিয়ে পড়তে হবে, কারণ এখন short question এই অনেক নম্বর আছে । multiple choice test আর very short answer টাইপ কোশ্চেন-এই 36 নম্বর । text বই ভালো মতোন পড়া থাকলে এখানেই অনেক নম্বর উঠে আসবে ।
# শব্দ সংখ্যা মাথায় রেখে প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে হবে । মনে রাখতে হবে বাংলা মানেই গল্প লেখা নয়, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন নির্ভর উত্তর-ই কাম্য । আর তাতে নম্বর ও ঠিক পাওয়া যায় ।
# কবি-লেখক/লেখিকা দের নামের বানান যাতে ভুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে ।
# পূর্ণবাক্যে গুছিয়ে উত্তর লিখতে হবে ।
# না জানা প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ায় ভালো ।
এগুলো মেনে চললেই ভালো নম্বর পাওয়া যাবে বাংলা তে ।

বাংলা এমনই একটা বিষয় যেখানে বানানের কথাটা মাথা থেকে সরালে চলবে না । মনে রাখতে হবে যে 4টে বানান ভুল হলে 1 নম্বর কাটা যাবে ।
এখন তো আর বানান করে পড়া, বা বানান মুখস্থ করার সময় নেই. . সময় সীমিত । এতদিন যা পড়া হয়েছে সেগুলো যদি একটু লেখার অভ্যেস করা হয় তাহলে বানান ভুলের হাত থেকে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া যায় ।
ছোটবেলায় যারা বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ‘বর্ণ পরিচয়’ প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ পড়েছে তাদের বানান ভুল হওয়ার চান্স থাকার কথা নয় ।
পড়ার সময় অপেক্ষাকৃত শক্ত বানানগুলো একটু ভালো করে দেখে নিলেও বানানের সমস্যা কমে যাবে ।
আর বানান ঠিক লেখার একটা আমার নিজস্ব টিপস আছে, apply করে দেখা যেতে পারে । সেটা হলো — শ/ষ/স, কিম্বা ণ/ন সংক্রান্ত সমস্যায় কয়েকটা বানান লিখে ঠিক বানানটা বেছে নেওয়া …এক্ষেত্রে নিজের চোখকেই কাজে লাগাতে হবে । শুদ্ধ বানানটা দেখতে সব সময় সুন্দর লাগে । ফলে সঠিক বানানটা সহজেই চিনে নেওয়া যায় । তবে এটা কিন্তু আমার নিজস্ব টেকনিক

Dipanwita Samanta আমি এটা আবার একটু অন্যভাবে ভাবছি তাপসীদি ..
প্রথমে পুরো প্রশ্ন পড়তে গিয়ে অনেক সময় দেখা যায় কমন পাচ্ছে না মনে হলো অনেকগুলো ..তখন ঘাবড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।
এখন ছোট ছোট প্রশ্ন ..একসাথে অনেক প্রশ্ন পড়তে গিয়ে উত্তরগুলো হুড়মুড়িয়ে আসতে শুরু করতে পারে …তাতে গুলিয়ে যেতে পারে …
সেই জন্যে আমার আবার মনে হয় একধার থেকে করে যাওয়া ভালো …

দেখো ভালো স্টুডেন্ট যারা তারা সব দিক থেকে ভীষণ সিরনসিয়ার থাকে ..তাদের জন্যে তেমন কিছু বলতে হয় না …
কিন্তু যারা মাঝারি এবং দুর্বল যতো গন্ডগোল ঘটিয়ে আসে খাতায় …
১) দাগ নাম্বার প্রশ্নের মতো করে দেয় না ..কেউ ইংরেজীতে ..কেউ আধা ইংরেজী আধা বাংলায় ..শুরুতে এটা একদম কাম্য নয় ।আর প্রবন্ধ রচনায় বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রী ৬ দাগ দেয় কিন্তু ৬.১ ,৬.২ …..মেনশন করে না ।

২)কবি ওদের হৃদয় এতখানি ছুঁয়ে থাকে যে কিছুতেই লেখক গল্পকার প্রাবন্ধিক শব্দগুলো প্রয়োজনেও ব্যবহার করে না ।এটা পরীক্ষকের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে ।

৩) মূলগ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থ লিখতে গিয়ে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপে ।তাই অহেতুক সেই ভুল ডেকে আনার দরকার নেই ।যদি মূল গ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থের নাম না চাওয়া হয় তবে সেটা লেখার দরকার নেই ।

আমি খাতা দেখতে গিয়ে যে ত্রুটি পাই সেগুলো বললাম

Nupur Sengupta ১) পরীক্ষার পাঠ্য বিষয় গুলি খুব ভালো করে পড়তে হবে….!
প্রতিটা লাইন পড়ার সময় বানান এর দিক লক্ষ্য রাখতে হবে…!
২)যেহেতু ছোট অনেক প্রশ্ন থাকে…..ভালো করে মূল বিষয়টি পড়লে,নিজের থেকেও অনেক প্রশ্নের উত্তর লেখা যায় !
৩)প্রশ্নের উত্তর লেখার সময় ,নম্বর ঠিক করে অবশ্যই দিতে হবে….! শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রচুর খাতা দেখতে হয়,তাই সঠিক নম্বর থাকলে তাদের সুবিধা হয়..[মনে রাখতে হবে উত্তর পত্রটি যথাযথ পরিষ্কার হাতের লেখা,সঠিক উত্তরের নম্বর এবং যেটুকু চাওয়া হয়েছে,তার মধ্যেই উত্তর সীমাবদ্ধ রাখতে হবে..!
এতে ছাত্র বা ছাত্রীটির প্রতি আলাদা দৃষ্টি আকর্ষিত হয় ]
৪)বানানের জন্যে মাঝে মাঝে সাম্ভাব্য প্রশ্নগুলি,অবসরে একটু লেখা অভ্যাস করলে,ভাল ফল পাওয়া যায়…
৫)বাংলা গ্রামার ধরে ধরে করতে হবে,,,..গ্রামার এর পুরো নম্বরটা পাবার জন্যে লিখে অভ্যাস করতে হবে…!
৬)সমস্ত গদ্য পদ্য….কার লেখা..কোন সময় কার…অর্থাৎ লেখক পরিচিতি জানা খুবই আবশ্যক….!
এছাড়া বিভিন্ন প্রশ্ন ,প্রশ্নের নম্বর অনুযায়ী লেখা আবশ্যিক,..তৎসহ সুন্দর হস্তলিপি….!!

Chaitali Ghurni 1-পাঠ্যবই খুব মন দিয়ে পড়তে হবে- সার্বিক দিক বিবেচনা করে| প্রশ্নের ঊদ্ধৃতি কমন ভেবে আবেগে না ভেসে, প্রশ্নের দাবি ভালো করে বুঝে নাও| বড় প্রশ্নের উত্তরের সাথে সংশ্লিষ্ট উদ্ধৃতি ব্যাবহার করতে হবে|

2- বর্তমান সিলেবাসে ব্যাকরণের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ | প্রথাগত ছক ভেঙ্গে ব্যাকরণ এখন ব্যাবহারিক প্রশ্নে ভরা| তাই বুঝে পড়ো, সাথে বহু উদাহরণ ও টেস্ট পেপারের বিচিত্রধর্মী প্রশ্নের অনুশীলন| বিশেষ কোন ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলে জানাবেন|

3- প্রতিবেদন- এটার ফরমাট ফলো করা জরুরী- হেডিং, জায়গা, তারিখ| এটার জন্য নিয়মিত খবর পড়া জরুরী| এটা খুব সহজ, ছাত্র-ছাত্রীদের ভয় তাড়াতে পারলে ওদের সুবিধা হবে|

4- বঙ্গানুবাদ- এক্ষেত্রে Tense, Voice, Narration, Group Verbs, Appropriate Prepositionখেয়াল রাখতে হবে| আর অনেক সময় আক্ষরিক অনুবাদ বড়ই শ্রুতিকটু লাগে, যদি দক্ষরা ভাবানুবাদ করতে পারে খুবই ভালো হয়|

Joyeeta Sarkar ১)ওদের টেক্সট পড়ার প্রবণতা কম৷সেটাই বড় খুঁত৷
২)রোজ পড়তে বসা চাই৷বুঝে পড়ুক৷টিউশন যাওয়ার জন্য নিজস্ব সময় কমে যেন না যায়৷
৩)পড়ুক,প্রশ্ন বানিয়ে,বই এর মধ্যেই পাশে পাশে লিখে এবং রোজই লিখুক৷বেশিরভাগ ভুলই হ’ল বাক্যগঠনের ভুল এবং প্রশ্নানুযায়ী উত্তরটুকু না দেওয়া৷
৪)ওসবের মাধ্যমে নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে৷ফোনে খেলা ক’রে সময় কাটানো মারাত্মক৷
৫)কাগজ,গল্পের বই পড়ুক৷
৬)ব্যাকরণ শিখতে হবে,তারপর সেগুলি অভ্যাস করতে হবে৷

Malati Mandal 
১# পাঠ্য গদ্যাংশ ও পদ্যাংশ বিশেষ ভাবে বার বার সরব বা নীরব পাঠের মাধ্যমে আত্মস্থ করে নিতে হবে।এখানে কোনরকম ফাঁকি দিলে চলবে না।নোটের দিন আর নেই।
২# প্রতিটি কবি লেখকের নাম ও মূল গ্রন্থের নাম নির্ভুল বানানে প্রাকটিস করে নিতে হবে।
৩# শব্দসংখ্যা ও নম্বর বিভাজন অনুযায়ী উত্তর লিখে অভ্যাস করতে হবে। অযথা বিস্তারিত না করে সংক্ষিপ্ত ভাষায় যথাযথ উত্তর অনুশীলন করলে ভালো হয়।
৫# বানান শুদ্ধ যাতে হয় তার জন্য বার বার লিখে অভ্যাস করতে হবে।
৬# সাধু বা চলিত যে কোন একটি ভাযা অবলম্বন করে লেখা অতি অাবশ্যিক দিক।
৭# ব্যাকরণের নিয়ম কানুন, সূত্র খুঁটিয়ে মুখস্থ করে নিতে হবে। ব্যাকরণে বানান ভুল নৈব চ নৈব চ।
৮# যদিও আজকাল সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত, নৈর্ব্যক্তিক, উত্তর চাওয়া হয়, সেইজন্য বিস্তারিত পড়ে প্রশ্নপত্র গুলি সময় ধরে বাড়ীতে অনুশীলন করে যাকে বলে মক টেস্ট করে টিচারদের কাছে দেখাতে হবে। ভুল ত্রুটি গুলি যাতে পুনর্বার না হয় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি দিতে হবে।
৯# প্রবন্ধ, প্রতিবেদন, সংলাপ এগুলি লেখার সময় সহজ সরল সাবলীল ভাষায় ক্রম অনুযায়ী মৌলিক লেখা বান্ছনীয়।ভাষাগত দক্ষতা সাহিত্যবোধের প্রকাশ প্রবন্ধের উত্কর্ষতা বৃদ্ধি করে। প্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি ব্যবহার করলে পরীক্ষকও খুশি হন অার নম্বরের ওজন বৃদ্ধি পায়।
১০.প্রতিবেদন লেখায় লেখার ভাষা সংবাদপত্রের মত হবে আর উপযুক্ত শিরোণাম দিতে হবে। এইজন্য পরীক্ষার্থীদের সময় করে সংবাদপত্র,অন্যান্য বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
এ তো গেল প্রস্তুতি। এবার পরীক্ষার উত্তরপত্র কি করে বেশী নম্বর তোলার জন্য আকর্ষণীয় হবে তার জন্য পরীক্ষার হলে বসে একাগ্রচিত্তে প্রশ্নপত্রটি আগাগোড়া পড়ে যে গুলি বেশী ভালে লিখতে পারবে সেগুলি নির্বাচন করতে হবে।
মার্জিন দিয়ে ধারাবাহিক ভাবে প্যারা বদল করে করে এগিয়ে যেতে হবে।
মনে রাখতে হবে উত্তর পত্র হবে পরিস্কার, পরিচ্ছন্ন ও পাঠযোগ্য। কারন হাতের লেখা সুন্দর হলে খুবই ভালো নইলে পরিচ্ছন্ন।
প্রতিটি উত্তর শেষ করে খাতা জমা দেওয়ার আগে পুনরায় চেক করে নিত হবে।
সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভকামনা জানাই।
পরে আবার আসবো যদি আর কিছু মনে পড়ে।

…………………………………………………………………………………………………………………………………….

 

প্রঃ প্রবন্ধ কি পয়েন্ট করে লেখা উচিত ? না লিখলে নম্বর কমে যায় ? নির্দিষ্ট শব্দের সীমা কতটা বেশি বা কম লঙ্ঘন করা যেতে পারে ?

Dipanwita Samantaপয়েন্ট করে লিখলেই ভালো আমার মনে হয় …অনেক সময় শেষে রচনা লিখতে গিয়ে সময় ফুরিয়ে আসে ..তখন যদি পয়েন্ট গুলো ঠিক ঠাক দিয়ে ভেতরে অল্প কথা লেখে তবু ভালো মার্কস দেওয়া যায় ..

আর সময়ের মধ্যে যদি সব কমপ্লিট করে কোন স্টুডেন্ট ৬ পাতা রচনা লিখতে পারে এবং সেটা যদি ঠিক হয় ..আমার তো মনে হয় আমাদের শব্দ গোনার প্রয়োজন পড়ে না ।

আর সবাই কি বলেন দেখা যাক ।

Malati Mandal প্রবন্ধে মূল তিনটি পয়েন্ট উল্লেখ করলে ভালো। যেমন, ভূমিকা, বিষয়বস্তু ও উপসংহার। তিনটি বিষয় যথাযথ উপস্থাপন করলে একটা আন্দাজ হয়েই যায়।তখন শব্দসংখ্যা নির্ণয় করতে হয় না।

প্রঃ এক্সট্রা প্রশ্নের উত্তর লিখলে বা প্রশ্নের দাগ নম্বর ঠিকমত না দিলে বা ভুল দিলে পরীক্ষকের মনে কি বিরক্তির উদ্রেক করে ? নম্বরে তার প্রভাব পড়তে পারে কি ?

এক্সট্রা প্রশ্নের উত্তরে কোন আপত্তি নেই ..পারলে সময় কুলালে লিখুক …
দেখো অচেনা একটা ছাত্র সম্পর্কে আমার ধারণা তৈরি হয় খাতাটার মাধ্যমেই কিন্তু ..
ভুল দাগ নাম্বার দিলে সরাসরি নাম্বার কেটে নিই বলবো না ..কিন্তু বিরক্তির উদ্রেগ করে বইকি ..কারণ এখন দাগ নাম্বার অনেকগুলো সাব পয়েন্ট করে করে দেওয়া । একটা মিসটেক হতে পারে ..কিন্তু বার বার ভুল যেনো না করে

……………………………………………………………………………………………………………………………………………

Tags:

Latest News

ask-me-button