PANCHAYAT ELECTION UPDATES

by tfpg


Posted on April 27th, 2018



দফায় দফায় বৈঠক। এবং সবশেষে নবান্নের প্রস্তাবেই সিলমোহর দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তিন দফা নয়, রাজ্যের প্রস্তাব মতো একদফাতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন করাবে কমিশন। সেই মতো ১৪ মে পঞ্চায়েতের ভোটগ্রহণ হবে। ১৭ মে ভোট গণনা করা হবে বলে জানা গেছে। মধ্যের ১৬ মে পুনর্নির্বাচনের জন্য রাখা হয়েছে।

রমজান শুরুর আগেই পঞ্চায়েত নির্বাচন করাতে চেয়েছিল রাজ্য সরকার। ১৬ মে-র আগে একদফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন চেয়ে আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেয় নবান্ন। পরিবর্তে দু’দফায় ভোট চেয়ে পালটা প্রস্তাব পাঠায় কমিশন। এরপর বৈঠকে বসে কমিশন। আলোচনা হয় নবান্নের সঙ্গেও। শেষে একদফা নির্বাচনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেওয়া হয়। আজই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে কমিশন।

মঙ্গলবার কমিশনের সঙ্গে ভোটের দিনক্ষণ নিয়ে বৈঠকে বসেছিল রাজ্য সরকার। পঞ্চায়েত দপ্তরের ওএসডি সৌরভ দাস ওই বৈঠকে ১৬ মে-র মধ্যে ভোটগ্রহণের প্রস্তাব জানিয়েছিলেন। কিন্তু, মতৈক্য হয়নি সেদিন। এরপর বুধবার বিভিন্ন সংখ্যালঘু সংগঠনের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে একই আবেদন জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার দু’তরফের বৈঠক হওয়ার কোনও বিষয় না থাকলেও, রাজ্য সরকার নিজের মতো দিন জানাবে বলে জানা যায়। প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত আইন অনুযায়ী, রাজ্য সরকারই ভোটের দিনক্ষণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেইমতো ভোটের ব্যবস্থা করবে। যদিও সম্প্রতি আদালত রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভোটের দিনক্ষণ ঠিক করতে বলেছে।

আজ দুপুরে নবান্নের তরফে ১৬ মে-র মধ্যে একদফা নির্বাচন করার কথা জানিয়ে দেওয়া হয় কমিশনকে। এরপরই জল্পনা ছড়ায়, তবে কি ফের আদালত পর্যন্ত জল গড়াবে? কিন্তু, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে ফ্যাক্স মারফত নবান্নকে দু’দফার প্রস্তাব দেওয়া হয়। আগামী ১৪ ও ১৬ মে পঞ্চায়েত ভোট করানোর প্রস্তাব দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

এদিকে, কমিশনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। প্রশ্ন উঠছে, একদফা ভোটের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়েও। পালটা আদালতে যাওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছেন বিরোধীরা। ২০ হাজারের বেশি বুথে ৪৬ হাজার সশস্ত্র পুলিশ ও ১২ হাজার লাঠিধারী পুলিশ দিয়ে একদিনে ভোট করা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা।

SOURCE : eisamay