Project

তুমি অনন্যা

মেয়েটি খুব ভালো নাচতো। নাচতে ভালোবাসতো। বিভিন্ন নাচের অনুষ্ঠানে সবার আগে থাকতো। টিভির সব নাচের ‘শো’গুলোর অডিশনেও যেত।

কয়েক মাস আগে থেকে হঠাৎই সব বন্ধ করে দিতে হল। পায়ে ব্যথার কারণে। দাঁড়িয়ে থাকাটুকুও যাচ্ছিলো না।

নাচ ফিরিয়ে আনতে শুরু হয় পায়ে ব্যথার চিকিৎসা। শেষ বেলায় ধরা পড়ে ক্যানসার। এখন আর লড়াইটা শুধু পায়ের জন্য নয়, ১৩ বছরের একটা প্রাণের জন্য। অনন্যার জন্য।

অবস্থার অবনতি ঠেকাতে শুরু হয় কেমো, ডঃ অর্পিতা ভট্টাচার্যর অধীনে। বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজ, পিজি ঘুরে ১০ এপ্রিল টাটা মেডিকেল। কোথাও পরিকাঠামোর অভাব তো কোথাও তারিখের অনিশ্চয়তা। টাটায় আবার টাকার সমস্যা।

কেমো নেওয়ার পর কাছাকাছি একটা ঘর ভাড়া করে অনন্যাকে নিয়ে ওর মা, মামা আর দাদু থেকে যান। অবস্থার অবনতি হলে যাতে জরুরী অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা যায়। এবং ১৭ তারিখ সেইমত আবার ভর্তি করতে হয় অনন্যাকে।

চিকিৎসার আনুমানিক খরচ ৮ লক্ষ। ১০ তারিখ থেকে বিভিন্ন সময়ে ৯৬ হাজার, ২০ হাজার এখনও অবধি জমা পড়েছে।

হাসপাতাল কর্তপক্ষ অনুদানের অনুমান দিয়েছে লাখ চারেকের। অনন্যার বাবাকে তারজন্য কিছু কাগজপত্র জোগাড় করতে বলেছে। সলিলবাবু সেই জোগাড়ে ব্যস্ত সম্ভবত।

অনন্যার চিকিৎস্যায় অনেকেই এগিয়ে এসেছেন আরও অনেকেই আমাদের সাথে ওর পরিবারের এই দুঃসময়ে নিশ্চয় পাশে থাকবেন। কিন্তু আমরা টি এফ পি জি গত ভাবে চাই শুধুই অর্থ নয় যদি আমরা আমাদের পরিচিত সার্কেলকে কাজে লাগিয়ে ওর পরিবারকে আরও একটু সাহায্য করতে পারি।

আসুন ওর লড়াইয়ে আমরা ওর পাশে থাকি।

Join: https://www.facebook.com/groups/260652914408272/?ref=bookmarks

Latest News

ask-me-button